আসেন একটা মজার রেসিপি দেই কুফা দুর করার রেসিপিঃ
কুফা প্রধানত দুই প্রকার
১) পারিবারিক কুফা
২) পীর দরবেশের কুফা
নিচে উনাগোরে নিয়া বিস্তর আলোচনা করা হইলো।
আমরা অনেক সময় মাছ ধরার আগে আমাদের পরিবার কিংবা আমাদের পেয়ারী বউ এর বদদুয়া এবং মুখকালা দর্শন করিয়া ঘর হইতে মাছ ধরিবার উদ্দেশ্যে বাহির হই। ইহা কিন্তু এক প্রকারের কুফা।
আবার মাছ ধরিবার জন্য মাচায় উঠিবার পর আমাদের আশে পাশে কিছু পীর দরবেশ ঘুরা ফিরা করেন ১ টা মাছ কোন ভাবে লাগিয়া গেলে শুরু হয় হুজুরগো ওয়াজ। এত বড় মাছ, ওরে বাপরে এই মাচায় সব মাছ ধইরা ফেল্লো, কেউ কেউ আসিয়া বলে ভাইজান কি অবস্থা কইটা পাইলেন নেট আলগি দিয়া বলিল খাইছে এত মাছ আপনেরা চইলা গেলেও পারেন। তখন বুঝিবেন এই বুঝি আপনার কুফা লাগিল।
এইবার আসেন কুফা দুর করিবার রেসিপি দেই
পারিবারিক কুফা দুর করিবার জন্য আপনার কোন আইটেম লাগিবে না দরকার হইবে একটু পরিশ্রম। মাছ ধরিবার কথা আগে থেকে না জানাইয়া ৩ দিন আগে থেইকা সকলের সেবায় মনযোগ দিয়া দেন। ঘরের সব কাম কাজ একাই করতে থাকেন। হগ্গলের কাপর ধোয়া থেইকা আরম্ভ করিয়া যদি পারেন রান্নাবান্না ও করতে থাকেন। ৩ দিন পর যেদিন যাইবেন তথন বউরে বলিবেন, বেগম আমি তো আজ মাছ ধরিতে যাইতে ইচ্ছুক যাইবার আগে আপনার চান্দ মুখের ইসমাইলটা একবার দেখিতে ইচ্ছুক। এই ভাবে পারিবারিক কুফা দূর হইতে পারে তয় গেরান্টি নাই।
এইবার আসেন পীর দরবেশগো কুফা কেমনে তারাইবেন। বাড়িতে থাকা সোনা আর রুপা পানিতে চুবাইয়া হোনারূপার পানি বানাইবেন। এরপর এই হোনারূপার পানি বতলে ভরি লইয়া যাইবেন। যেই দরবেশগন বেশি কতা কইবো তাগো মুখে ছিটাইয়া দিবেন মাঝে মাঝে আপনেদের উপর ও ছিটাবেন। আশা করি ভালা ফল পাইবেন।
তবে বিশেষ প্রজাতির উন্নত মানের কিছু কুফা আছে উনাদের জইন্য এই পদ্ধতি কার্যকর নয়। ওই সমস্ত কুফা তারাইবার জন্য লাঠি থেরাপি বড়ই উত্তম রেসিপি। ধইন্যবাদ হগ্গলেরে।

Comments
Post a Comment